বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ত প্রায় নব্বই হাজার: জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা চাঁদা না দেওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি করায় জরিমানা রাজশাহীতে খাল খননে ৫০ শতাংশ অগ্রগতি: জেলা প্রশাসক একজন কাজ পাগল মানুষ পবা-মোহনপুরের এমপি মিলন রাসিক ১৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহমেদের মায়ের ইন্তেকাল রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহীতে দুদকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীতে জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে রিপ্রেজেনন্টেটিভ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় যারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সমালোচনা করে তারা দেশ ও জনগণের শত্রু: ভূমিমন্ত্রী মিনু

  • প্রকাশ সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর বিএনপির আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভূবনমোহন পার্কে আয়োজিত রাজশাহীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর ইতিহাসে আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সেইসাথে অর্জন করেছে সম্মান। ২৫ মার্চ এর পরে বাঙ্গালী জাতী যখন দিশেহারা হয়ে পড়েছিলো। ঠিক সে সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। তিনি তাঁর ভাষনে বলেছিলেন আমি মেজর জিয়া বলছি। বাংলার দামাল ছেলেরা তোমরা তোমাদের হাতিয়ার তুলে নাও। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বিরুদ্ধে অস্ত্র ধর। বাংলাদেশ স্বাধীন করো। তিনি বাংলাদেশের যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন। তেমনি বাংলাদেশকে তিনি সারাবিশ্বে একটি গ্রহনযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন, গণতন্ত্রের পুরোধা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি দীর্ঘ সময় ধরে স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। সেইসাথে তিনি দেশকে বিশ্বের দরবার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত করেছেন। দীর্ঘ সতের বছর রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অকুতোভয় সৈনিক হয়ে দেশ এবং দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেইসাথে সারাবিশ্বের এই প্রতিকুল অবস্থার মধ্যে দিয়েও তিনি দেশকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে জনগণ যেভাবে বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন এর জন্য তিনি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি স্লোগান ছিলো সবার আগে বাংলাদেশ। যারা জাতীর ও স্বাধীনতার শত্রু তারা হচ্ছে বিশ কোটি মানুষের শত্রু। বিএনপির মুল ঠিকানা হচ্ছে এই দেশের মানুষের মনের মাঝে। বিএনপির কোন বৈদেশিক প্রভু নাই। বিদেশে বিএনপির বন্ধু রয়েছে। কোন কোন দল বিশেষ কিছু কিছু দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে দেশের মানুষের কাছে আস্থা হারিয়েছে। বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের বিতর্কীত বক্তব্য দেশবাসী কোনভাবেই মেনে নেবেনা। কোন দলের প্রভু পাকিস্তান, আবার কোন দলের প্রভু হচ্ছে ভারত। এই ধরনের চরিত্রের লোকদের অবস্থা জনগণের নিকট পরিস্কার করে তুলে ধরতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, মহান মুক্তিযদ্ধের সময় কার কি ভূমিকা ছিলো তা বাংলাদেশের মানুষ সবাই জানে। বাংলাদেশের মানুষ বীরের জাতি। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বা ভারতীয় ও ব্রিটিশ আগ্রাসনের কাছে কোনদিন মাথানত করেনি। সারাটা জীবন মাথা উঁচু করে থেকেছে এই জাতী। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সারাদেশ আজ শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছে। যারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সমালোচনা করে তারা এদেশ ও জনগণের শত্রু। যাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কোন অবদান ছিলো। আগামী দিনে তাদের চিন্থিত করে আস্তকুড়ে ফেলে দিতে হবে। যেমন দিয়েছে নির্বাচনের সময়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই শত্রুরা যুগে ছিলো। যারা গুপ্ত ও হেলমেট পড়ে থাকে তাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ চেনে। এজন্য তাদেরকে দেশের মানুষ সারাজীবন প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি শহীদ জিয়ার সৈনিকদের দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জনান। তিনি বলেন, নির্বাচনের কালি না মুছতেই তারেক রহমান তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা শুরু করেছেন বলে উল্লেখ করে বক্তব্য শেষ করেন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বারের সভাপতি আবুল কাশেম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, শফিকুল ইসলাম শাফিক, এডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম ও মুক্তার হোসেন, মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনসার আলী, শাহ মখদুম থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলু, সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মহন, কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিউল আহসান হিমেল, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফাইজুল ইসলাম ফাহি, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম জনি ও শাহ মখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক নাসিম শেখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শরফুজ্জামান শামীম, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা ইসলাম, রাজশাহী মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি, সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, ড্যাব কেন্দ্রীয় নেতা ও রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ডাক্তার ওয়াসিম ও মহানগর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জাকের আলীসহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin