বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ত প্রায় নব্বই হাজার: জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা চাঁদা না দেওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি করায় জরিমানা রাজশাহীতে খাল খননে ৫০ শতাংশ অগ্রগতি: জেলা প্রশাসক একজন কাজ পাগল মানুষ পবা-মোহনপুরের এমপি মিলন রাসিক ১৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহমেদের মায়ের ইন্তেকাল রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহীতে দুদকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীতে জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে রিপ্রেজেনন্টেটিভ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নের ডাইংপাড়ায় মাদকের রমরমা ব্যবসা

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৫৪০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে চলছে। তখন খোদ স্থানীয় সরকারের সদস্যের প্রত্যক্ষ মদদে চলছে মাদকের রোমরমা ব্যবসা। গোদাগাড়ীর দেওপাড়ার ডাইংপাড়ায় চলছে দেশীয় মদের (চুয়ানী) ব্যবসা। আর ব্যবসার টাকা উত্তোলন ও মাদক তৈরী ও ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা করছেন খোদ দেওপাড়া ইউপি ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মোক্তার আলী। তিনি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে এই টাকা উত্তেলোন করেন বলে নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক ডাইংপাড়াসহ আশেপাশের লোকজন এমন অভিযোগ করেন।
তারা বলেন, এখানে প্রতিদিন শতশত মানুষ আসে চুয়ানী পান ও ব্যবসার জন্য নিয়ে যেতে। এতে একদিকে যেমন এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, তেমনি অত্র এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেরা ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। সেইসাথে যুবতী মেয়েদের নিয়ে অভিভাবকরা পড়েছের নানা বিড়ম্বনায়। কিছু বলতে গেলে নেমে আসে নির্যাতন। মেম্বরের ভয়ে কেউ সাহস করে কথা বলতে পারেনা বলে জানান ভুক্তোভোগিরা। তারা আরো বলেন, শুধু মোক্তার আলী নয়, এর সঙ্গে আইনশৃংখলা বাহিনীর এক সদস্য জড়িত বলে জানান তারা। আর এই টাকা উত্তোলন করতে সহযোগিতা করে আদিবাসী ঈশ্বর ও সোনাতন নামে দুইজন। মাদক ব্যবসায়ী মানুয়েল, ইসমাইল, শিল্পি, নিপেন, সাবিনা, হাবিল ও যোফের নিকট থেকে নিয়মিত টাকা উত্তোলন করেন বলে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য মোক্তার আলীকে মোবাইল করলে টাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি কারো নিকট টাকা নেন না। তবে এই গ্রামে মাদকের ব্যবসা হয়। যদি কখনো পুলিশ এসে কাউকে ধরে নেয় তাহলে মেম্বর হিসেবে তিনি সেখানে যান বলে জানান মোক্তার আলী।
এদিকে প্রেমতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin