নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আসলেন, জয় করলেন, চলে গেলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য, রাজশাহী সদর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। সোমবার সকাল ৮টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে মহানগর বিএনপির আয়োজনে দিনের বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মিনু আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলে বাংলাদেশ নামে একটি ভূখণ্ড রচিত হয়েছে । বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে তিনি কৃষির উপরে বেশি জোর দিয়েছিলেন। তিনি বাকশাল বিলুপ্তি করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি ১৯দফার আলোকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শুধু তাই নয় তিনি সার্ক ওআইসি গঠন সহ ইরাক ইরানের যুদ্ধ মীমাংসা করে দিয়েছেন। আর তার রোপণকৃত নিম গাছ এখনো সৌদি আরবে জনগণকে ছায়া প্রদান করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ১৯৮১ সালে যখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়, তখন তার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরেন এবং তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য কাজ করে গেছেন। জিয়াউর রহমান ছিলেন এক অকুতোভয় বীর সেনা। তিনি কখনো নিজের এবং পরিবারের কথা ভাবেন নাই। তিনি সর্বদা দেশ এবং দেশের জনগণকে নিয়ে ভাবতেন। এই মহান নেতার ৯০ তম জন্মবার্ষিকীতে তিনি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সেই সাথে তার দেখানো পথ এবং বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা মোতাবেক বিএনপি আগামী দিনে দেশ গড়ার কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বক্তব্য শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মিনু। শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর মহানগর বিএনপির আয়োজনে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে বেলা ১১টায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এদিকে শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মহানগর যুবদলের আয়োজনে বিকেল ৪টায় ভুবন মোহন পার্কে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন ও রশিদ মামুন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা ও জয়নাল আবেদীন শিবলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুল হক মন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম বিএনপি’র সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলু, সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মোহন, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, রাজশাহী মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি,সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক সরফুজ্জামান শামীম, মহানগর মহিলা দলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর শামসুন্নাহার, মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি ও সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাকসুদুর রহমান সৌরভ। এছাড়াও বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।