বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ত প্রায় নব্বই হাজার: জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা চাঁদা না দেওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি করায় জরিমানা রাজশাহীতে খাল খননে ৫০ শতাংশ অগ্রগতি: জেলা প্রশাসক একজন কাজ পাগল মানুষ পবা-মোহনপুরের এমপি মিলন রাসিক ১৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহমেদের মায়ের ইন্তেকাল রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহীতে দুদকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীতে জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে রিপ্রেজেনন্টেটিভ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

বেগম জিয়া দেশে সর্বোচ্চ সম্মান পান আর খুনি হাসিনা পালিয়ে প্রানে বাঁচেন: মিলন

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি সাবেক চেয়ারম্যান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের একজন অতিগুরুত্বপূর্ন ব্যক্তি। আর পতিত সরকারের স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মানতো দূরের কথা, নিজের প্রাণ বাঁচাতে তিনি দেশ ছেড়ে পালান। অথচ ঐ খুনি হাসিনাই বেগম জিয়াকে প্রাণে মেরে ফেলতে চিকিৎসা করতে দেননি। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে শেখ হাসিনা নানা ধরনের কুরুচিপূর্ন মন্তব্য করেছেন বলে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পবা-মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদার কিশোরী বয়সে জিয়াউর রহমানের সাথে বিয়ে হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় তাঁর জীবনের নানা টেনশন। কারণ যখন তাঁর বয়স মাত্র বিশ বছর তখন তাঁর স্বামী মেজর জিয়াউর রহমান ভারতর পাকিস্তান যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। সেই যুদ্ধে পাকিস্তান বিজয়ী হয়। এরপর ১৯৭১ সালে শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। সে সময়ে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের সেনা অফিসার ছিলেন। সেখান থেকে তিনি পূর্ব পাকিস্তান আসেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। সে সময়েও বেগম খেলদা জিয়া নাবালক দুই সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নিকট আটক হন। সেখানে তিনি অনেক কষ্ট করেন। সেইসাথে তিনি কঠোর মনের মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরী করেন।

বেগম জিয়াকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে মিলন আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে বেগম জিয়া বিএনপি হাল ধরেন। এরপর তিনি স্বৈরাচার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে পরাজিত করেন তিনি। এরপর ১৯৯১ সালে নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। সেইসাথে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন। এরপর তিনি দেশ গড়ার জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অসাপ্ত কাজ ও ১৯ দফা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী শিক্ষা প্রসারে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ নানা মন্ত্রণালয় গঠন করেন। সেইসাথে তিনি প্রেসিডেন্সী প্রতা বিলুপ্তি করে সংসদীয় প্রথা চালু করেন। এছাড়াও মেয়েদের জন্য প্রথমে পঞ্চম শ্রেণি ও দ¦াদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করেন। সেই মহিয়সী নারী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তাঁরই রুহের মাহফিরাত কামনায় আজকে এখাকে দোয়া মাহফিল হচ্ছে। তিনিস সবাইকে দোয়া করার জন্য অনুরোধ করেন। বক্তব্য শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পবার হড়গ্রাম ইউনিয়ন এলাকাবাসীর আয়োজনে আলীগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসা মাঠে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও এডভোকেট শফিকুল হক মিলন প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আব্দুল ওহাব এর সঞ্চালনায় সেখানে জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, ও আব্দুস সালাম ও হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এনামুলক হক কনক, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সমুন ও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা ইসলাম ও মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিরা খানম। এছাড়াও বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্র্মীবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin