নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদিন প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় ছিলেন। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে তিনি হড়গ্রাম ইউনিয়নের অচিনতলা ও বসুয়া এলাকায় গণসংযোগ করেন।
গণসংযোগকালে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নে বিএনপি চেয়ার্যম্যান তারেক রহমান বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহন করবেন। কারণ তিনি তাঁর পিতা ও মাতার ন্যায় দেশকে এবং দেশের জনগণকে ভালবাসেন। তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের বিদেশে কোন বাসস্থান নেই। তিনি দীর্ঘ আঠার বছর লন্ডনে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপি জনগণের দল। এই দল যখন ক্ষমতায় থাকে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়। রাজশাহীর পবা-মোহনপুরের যা কিছু উন্নয়ন হয়েছিলো তা বিএনপির আমলে হয়েছিলো।
এরপরে আর কোন উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট গুলো ভেঙ্গে পরে আছে। এতে করে জনগণ পড়েছে মারাত্বক ভোগান্তিতে। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করে লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট করেছিলো। সেইসাথে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও দলীয় করায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়েও পতিত সরকারের নেতাকর্মীরা নোঙরা রাজনীতি করেছিলো। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সকল রাস্তাঘাট সংস্কার ও নতুন করে পাকা করণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ও দলীয়করণমুক্ত করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মিলন আরো বলেন, রাজশাহী হচ্ছে কৃষি প্রধান অঞ্চল। এই অঞ্চলের কৃষকরা উৎপাদিত পন্যের ন্যায্যমূল্য পায়না। কারণ মধ্যস্থভোগিরা বেশী লাভ করে। এজন্য কৃষকের পন্য সরাসরি ভোক্তার নিকট পৌঁছাতে কৃষি ইপিজেড স্থাপন করা হবে। সেইসাথে বেকারত্ব কমাতে ছোট ছোট কলকারখানা স্থাপন ও উদ্যোক্তা তৈরীর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, পতিত সরকারের আমলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের এবং তাদের সন্তানদের কোথাও চাকরী হতে দেয়নি। এর মতই আরেকটি দল আছে সেটা হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম। এই দলের নেতাকর্মী ও সদস্য ছাড়া তারা অন্য কাউকে চাকরী দেয়না। শুধু তাইনয় এরমধ্যে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরী থেকে বরখাস্ত করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের চাক দিয়েছে। তাহলে জামায়াত যদি সরকার গঠন করে তাহলে দেশের বেকার যুবক ও যুবাদের কি অবস্থা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্যকোন চিন্তা না করে দেশের উন্নয়নে, দেশের গণতন্ত্র সমোজ্জল রাখতে এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দেয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
এদিকে অত্র এলাকার ভোটারগণ বলেন, দেশকে জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের কবল থেকে রক্ষা করতে ধানের শীষের কোন বিকল্প নাই। এজন্য তারা কোনদিকে চিন্তা না করে তারা ধানের শীষে ভোট প্রদান করে দেশের উন্নয়নে অংশিদার হবেন বলে উল্লেখ করেন তারা। এ সময়ে অত্র ইউনিয়নের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।