বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ত প্রায় নব্বই হাজার: জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা চাঁদা না দেওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি করায় জরিমানা রাজশাহীতে খাল খননে ৫০ শতাংশ অগ্রগতি: জেলা প্রশাসক একজন কাজ পাগল মানুষ পবা-মোহনপুরের এমপি মিলন রাসিক ১৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহমেদের মায়ের ইন্তেকাল রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহীতে দুদকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীতে জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে রিপ্রেজেনন্টেটিভ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

মুসলিম আইন মেনে আসমাকে বিয়ে করেন এএসআই সৌমেন

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৩৪৬ বার দেখা হয়েছে

পরকীয়ার জেরে কুষ্টিয়া শহরে প্রকাশ্যে স্ত্রী আসমা খাতুন, সৎ ছেলে রবিন ও যুবক শাকিল খানকে গুলি করে হত্যা করে এএসআই সৌমেন রায়। নিহত আসমা মুসলিম এবং সৌমেন ছিলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের। মুসলিম বিধান মতে আসমাকে বিয়ে করেন সৌমেন রায়। সে সময় নিজেকে মো. সুমন হোসেন বলে পরিচয় দেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় নিহত আসমার মা হাসিনা বেগম।

নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম বলেন, কুমারখালী থানায় চাকরিরত থাকার সময় এএসআই সৌমেনের সঙ্গে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে আসমার পরিচয় হয়। তারপর আমার পরিবারের সঙ্গে সৌমেনের গভীর সম্পর্ক হয়। সৌমেন-আসমা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। সে সময় সৌমেন তার নাম মো. সুমন হোসেন রাখেন এবং সুমন নামেই মুসলিম বিধান মতে আসমাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করছিল।

এদিকে ট্রিপল মার্ডার মামলায় দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত এএসআই সৌমেন কুমার রায়। সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে তিনি এ স্বীকারোক্তি দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার বলেন, নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা খাতুন বাদী হয়ে রোববার হত্যা মামলা করেছেন। আসামি সৌমেনকে দুপুরে আদালতে নেওয়া হয়। তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খায়রুল আলম বলেন, ঘটনা জানার পর সৌমেন রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এরপর তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে সর্বশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার বাদ জোহর নিহত আসমা খাতুন ও তার ছেলে রবিনের জানাজা শেষে নিজ গ্রাম কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। অন্যদিকে নিহত শাকিল খানের নিজ গ্রাম কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগরপাড়া গ্রামের মেছের উদ্দিন দারুল উলুম কওমি মাদরাসায় বাদ জোহর জানাজা শেষে সাঁওতা কারিগরপাড়া গোরস্থানে দাফন করা হয়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin